আমাদের শিশু বিদ্যালয়
স্বপ্নজয়ী পাঠশালা — হবিবপুর শাখা
হবিবপুর জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জ
সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় শিশুদের শিক্ষা ও মানবিক সহায়তায় কাজ করছে। বর্তমানে ২৫ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক নিয়ে পরিচালিত এই শাখায় পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের খাদ্য, বস্ত্র ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ভালোবাসা, যত্ন ও সহযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
বিদ্যালয় সম্পর্কে
একটি শিশুর বেড়ে ওঠার পথে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সুযোগ। কিন্তু দারিদ্র্য ও পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক শিশুর সেই সুযোগটুকুও হয়ে ওঠে অনিশ্চিত। তাদের জীবনেও রয়েছে স্বপ্ন, মেধা ও সম্ভাবনা—প্রয়োজন শুধু একটু যত্ন, শিক্ষা এবং মানবিক সহায়তা।
এই ভাবনা থেকেই সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার হবিবপুরে কাজ করে যাচ্ছে স্বপ্নজয়ী পাঠশালার দ্বিতীয় শাখা।
স্বপ্নজয়ী পাঠশালা বাংলাদেশে বর্তমানে ৮টি জেলায় ৯টি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় শিশুদের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় হবিবপুর শাখায় বর্তমানে ২৫ জন শিশু নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে এবং তাদের পাঠদান ও পরিচর্যার দায়িত্বে রয়েছেন ২ জন শিক্ষক।
এই শাখার কার্যক্রম শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিশুদের প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষা, খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসা সহায়তার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। কারণ একটি শিশুকে সত্যিকার অর্থে এগিয়ে নিতে শুধু বই হাতে তুলে দেওয়াই যথেষ্ট নয়; তার সুস্থতা, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনের প্রতিও যত্নশীল হওয়া জরুরি।
হবিবপুরের এই ২৫টি মুখের প্রতিটিতে রয়েছে আলাদা একটি গল্প, আলাদা একটি স্বপ্ন। কারও স্বপ্ন শিক্ষক হওয়ার, কারও চিকিৎসক, কারও বা পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার। আজ তাদের পাশে তৈরি হওয়া একটি ছোট্ট শিক্ষার পরিবেশই হয়তো আগামী দিনের বড় সম্ভাবনার ভিত্তি হয়ে উঠবে।
সমাজের মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা যখন এমন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন একটি প্রতিষ্ঠান শুধু শিশুদের পড়ায় না—বরং তাদের আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার পথ তৈরি করে।
স্বপ্নজয়ী পাঠশালা — হবিবপুর শাখা
হবিবপুর, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ
২৫ জন শিক্ষার্থী | ২ জন শিক্ষক
“একটি শিশুকে সুযোগ দেওয়া মানে শুধু তার আজকে বদলে দেওয়া নয়; বরং তার আগামী দিনের সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখা।”